বিসিএস এ সংবিধানের ইতিহাস সম্পর্কে আসা খুবই গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
![]() |
| বাংলাদেশের প্রথম হস্তলিখিত সংবিধান |
সংবিধান রচনার প্রেক্ষাপট
বাংলাদেশ ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানের কাছ থেকে স্বাধীনতা অর্জন করে। প্রত্যেকটি স্বাধীন দেশেরই সংবিধান রয়েছে। তাই স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের ও একটি সংবিধানের প্রয়োজন হয়।
এই প্রেক্ষিতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সালের ১১ জানুয়ারি বাংলাদেশ অস্থায়ী সংবিধান আদেশ জারি করেন। পরবর্তীতে ২৩ মার্চ ১৯৭২ সালে গণপরিষদে সংবিধান রচনার আদেশ জারি করা হয়। গণপরিষদের সদস্য ছিলেন ৪৩০ জন। গণপরিষদে প্রথম অধিবেশন বসে ১০ এপ্রিল ১৯৭২ সালে। এই পরিষদের সংসদ নেতা ছিলেন শেখ মুজিবুর রহমান, প্রথম স্পিকার শাহ আব্দুল হামিদ ও ডেপুটি স্পিকার মোহাম্মদ উল্লাহ।
সংবিধান প্রণয়ন কমিটি
সংবিধান প্রণয়ন কমিটির সদস্য সংখ্যা ছিল ৩৪ জন। এই কমিটির প্রধান ছিলেন ড.কামাল হোসেন। সদস্যদের মধ্যে একমাত্র মহিলা সদস্য বেগম রাজিয়া বানু এবং একমাত্র বিরোধী দলের সদস্য সুরঞ্জিন সেন গুপ্ত।
সংবিধান উত্থাপন
ড.কামাল হোসেন বাংলাদেশের খসড়া সংবিধান প্রথম গণপরিষদে উত্থাপন করেন ১২ অক্টোবর ১৯৭২ সালে। ৪ নভেম্বর খসড়া সংবিধান গণপরিষদে গৃহীত হয়। তাই এই দিনকে সংবিধান দিবস হিসেবে আমাদের দেশে পালন করা হয়।
হস্ত লিখিত সংবিধান
এই সংবিধানটি হাতে লিখা হয় যার পৃষ্ঠা সংখ্যা ছিল ৯৩। এই সংবিধানের মূল লেখক আব্দুর রউফ। হস্ত লিখিত সংবিধানের অঙ্গসজ্জা করেন বাংলাদেশের প্রখ্যাত চিত্র শিল্পী জয়নুল আবেদিন।
হস্ত লিখিত সংবিধানে সাক্ষর
গণপরিষদের ৩০৯ জন সদস্য এই সংবিধানে ১৪ ডিসেম্বর ১৯৭২ সালে সাক্ষর করেন। সংবিধান গৃহীত হয়ার সময় প্রধানমন্ত্রী ছিলেন শেখ মুজিবুর রহমান ও রাষ্ট্রপতি ছিলেন বিচারপতি আবু সাইদ চৌধুরী।
বাংলাদেশের সংবিধান ১১ টি ভাগে বিভক্ত। সংবিধান সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন।
